ঈশ্বরদী বিমান বন্দরের হালচাল

0
655

ঈশ্বরদী বিমান বন্দরটি উপজেলা সদর হতে প্রায় ৫কিঃমিঃ পশ্চিমে অবস্থিত। ৪৩৬.৬৫ একর জমি বাংলাদেশ বেসরকারী বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নামে অধিগ্রহণ করে স্থাপনার নির্মাণ কাজ শেষে ২৬/০৩/১৯৬১ খ্রিঃ তারিখে ঈশ্বরদী  বিমান বন্দরে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট প্রথম চালু হয়। এর আগে, দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় এটি হিজলি বেইজ এরিয়া বলে পরিচিত ছিল এবং টুয়েন্তিথ এয়ার ফোর্স ব্যাবহার করতো।  আমেরিকান বিমান বাহিনীর বিষেশ্বায়িত  কয়েকটি ফোর্স, মারিয়ানা আইল্যান্ডে কার্যক্রম শুরুর পূর্বে এখান থেকে কার্যক্রম চালায় ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।

দীর্ঘদিন বিমান বন্দরটি চালু থাকার পর ০৫/০৪/১৯৯০ খ্রিঃ তারিখে ১ম বারের মত বন্ধ হয়ে যায়। ১৭/০৭/১৯৯৪ খ্রিঃ তারিখে বিমান বন্দরটি পুনরায় চালু হয়। কিন্তু আবারও ০৩/১১/১৯৯৬ খ্রিঃ তারিখে বাংলাদেশ বিমান ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়। এর পর ১০/০৫/১৯৯৮ খ্রিঃ তারিখ হতে এ বিমান বন্দর হতে এয়ার পারাবত ফ্লাইট চালু হয়। কিছুদিন চলার পর ২৮/০৬/১৯৯৮ খ্রিঃ তারিখ এ ফ্লাইটটিও বন্ধ হয়ে যায়।

১৭ বছর পর,  নভেম্বর ২০১৩ সালে ইউনাইটেড এয়ার ওয়েজ কিছু দিন চলাচল করে আবারও বন্ধ হয়ে যায় ২০১৪ সালের মাঝামাঝিতে। তবে কোন সিডিউল ফ্লাইট না থাকলেও অফিসিয়ালভাবে বিমান বন্দরটি চালু রয়েছে। বিমান বন্দরের যন্ত্রপাতি সচল রয়েছে। বিমান শাখায় ১৫জন জনবল কর্মরত আছে, তবে কন্ট্রোল টাওয়ার/ফায়ারের জনবল নেই। বিমান বন্দরের রানওয়ে, এপ্রোচ, টেক্সিওয়ে সবকিছু কার্যকর আছে। ৪৩৬.৬৫ একর জমির মধ্যে বিমান বন্দর সংলগ্ন মিলিটারী ফার্মকে  দেওয়া আছে ২৯০.৭৪ একর। বিমান বন্দরের আওতায় ১৪৫.৯১ একর জমি আছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এখন বিমান বন্দরের দখলে রয়েছে মাত্র ৯৬.০০ একর জমি। অবশিষ্ট জমি মিলিটারী ফার্মের দখলে আছে।

কিভাবে যাওয়া যায়:
বাংলাদেশের যে কোন জায়গা হতে রেল অথবা সড়ক পথে ঈশ্বরদী রেলওয়ে স্টেশন অথবা বাস টার্মিনালে নেমে রিক্সা/টেম্পুযোগে যাওয়া যায়।

অবস্থান:
ঈশ্বরদী বিমান বন্দরটি উপজেলা সদর হতে প্রায় ৫কিঃমিঃ পশ্চিমে অবস্থিত। এটি ঈশ্বরদী উপজেলাধীন সাঁড়া ইউনিয়নে অবস্থিত।